রাত পোহালেই বাঁশখালী উপজেলা নির্বাচন


মুহাম্মদ আতিকুর রহমান হান্নান, বাঁশখালী।। ৬ষ্ঠ উপজেলা নির্বাচনের চতুর্থ ও শেষ ধাপে অনুষ্ঠেয় বাঁশখালী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা গতকাল মধ্যরাতে শেষ হয়েছে। ভোটগ্রহণের সকল প্রস্তুতি নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কাল (বুধবার) সকাল হলেই শুরু হবে ভোটগ্রহণ। সকাল ৮ টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৪ টায় শেষ হবে ভোটগ্রহণ।
সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ৩২ ধারা অনুযায়ী অনুষ্ঠেয় নির্বাচন উপলক্ষে ভোট গ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিবসের পূর্ববর্তী মধ্যরাত অর্থাৎ ৪ জুন মধ্যরাত ১২টা থেকে ৫ জুন মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ ভ্যান, মাইক্রোবাস, ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে।
এবারের বাঁশখালী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৪ প্রার্থী থাকলেও ভোটের লড়াইয়ে থাকবেন তিনজন। তারা হলেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম (দোয়াত-কলম), সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এমরানুল হক (আনারস) ও সাবেক পৌর মেয়র শেখ ফখরুদ্দিন চৌধুরী (ঘোড়া)। তবে ভোটের তিন দিন আগে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে যুবলীগ নেতা মো. জাহিদুল হক চৌধুরী মার্শাল নির্বাচনের মাঠ থেকে সরে দাঁড়ান।
ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন আকতার হোসেন (তালা), আরিফুর রহমান সুজন (টিয়াপাখি), ইমরুল হক চৌধুরী ফাহিম (টিউবওয়েল), আরিফুজ্জামান আরিফ (চশমা),  এম এ মালেক মানিক (উড়োজাহাজ), মো. ওসমান গণি (মাইক) ও মোহাম্মদ হোসাইন (বই)।
মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে রেহেনা আকতার কাজমি (কলস), ইয়ামুন নাহার (প্রজাপতি), নুরীমন আক্তার (ফুটবল)। বাঁশখালী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হারুন মোল্লা জানান, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত মাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এদিন বাঁশখালীর ১১৫টি ভোটকেন্দ্র ১১৫ জন প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং ৫৫৬ জন ও পোলিং অফিসার ১৭১২ জন দায়িত্ব পালন করবেন। ১৪ ইউনিয়ন ও এক পৌরসভায় ৩ লাখ ৭৬ হাজার ৯০৬ জন ভোটার রয়েছেন। ৮৫৬টি বুথে তারা ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
তিনি আরো বলেন, নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ২২ জন ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ৬ প্লাটুন বিজিবি, র‌্যাব ও পুলিশ অফিসারসহ ৮শতাধিক পুলিশ সদস্য মাঠে থাকবেন।সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার বলেন, ‘অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনী এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেকোনো অস্বাভাবিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য তৎপর থাকবে বলেও জানান তিনি। নির্বাচনে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে বিজিবি মোতায়েন থাকবে। থাকবে পুলিশ সদস্য, স্ট্রাইকিং ফোর্সসহ আনসার, ভিডিপি, গ্রাম পুলিশ, চৌকিদার, দফাদার এবং র‌্যাবের বিশেষ টহল না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *