রুহিয়া প্রধান সড়ক নয়, যেন মরণ ফাঁদ! খানাখন্দে ভরা, চলাচলে ভোগান্তি চরমে


আহসান হাবিব, ঠাকুরগাঁও।। অল্প বৃষ্টি হলেই জমে থাকে পানি,শুকায় না এক মাসেও । চরম ভোগান্তি নিয়ে চলে যানবাহন সহ সাধারণ পথচারী। পানিনিষ্কাশনের ড্রেনেজ কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টিতে পানি জমে যায় প্রায় হাঁটু পর্যন্ত। দীর্ঘদিন জমে থাকা কাদাযুক্ত পানি মাড়িয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে লোকজন ও যানবাহনকে।ঠাকুরগাঁওয়ের সদর উপজেলার রুহিয়া  – ঠাকুরগাঁও  সড়কের একমাত্র যোগাযোগের সড়কটি রুহিয়া চৌরাস্তা থেকে ১নং রুহিয়া ইউনিয়ন পরিষদ  পর্যন্ত আনুমানিক প্রায় চার শো মিটার বেহাল দশা হয়ে পড়েছে।সড়কে অল্প বৃষ্টিতেই পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন হাজার হাজার পথচারীসহ যানবাহন চালকেরা।
৬ জুলাই (শনিবার) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রুহিয়া চৌরাস্তা থেকে ১নং রুহিয়া ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত আনুমানিক প্রায় চার শো মিটার এই সড়কে কাদাযুক্ত বৃষ্টির পানি জমে রয়েছে। সড়কের দুই পাশে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান।কাদাযুক্ত বৃষ্টির পানি মাড়িয়ে লোকজন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে চলাচল করছেন। পানির মধ্য দিয়ে যানবাহন চলাচলের সময় পানি ছিটে লোকজনের শরীরে যাচ্ছে। সারা বছর দুর্ভোগে পড়েন ওই সড়কে চলাচলকারী লোকজন ও যানবাহনের চালকেরা।
বর্ষা মৌসুম এলে তো কোন কথাই নেই। রুহিয়া থেকে ঠাকুরগাঁও জেলা যাওয়ার একমাত্র সড়ক এটি। প্রতিদিন এ সড়কে শতাধিক যানবাহন চলাচল করে।পানি জমে থাকার কারণে পথচারী ও চালকদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। রাস্তাটি সংস্কার করা অত্যন্ত জরুরি বলে দাবি করেছেন তারা।
ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের চালক আনারুল ইসলাম  হক বলেন, যাত্রী নিয়ে প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে রুহিয়া   ঠাকুরগাঁও যাওয়া আসা করি চৌরাস্তা  প্রবেশ মুখে শুধু এ জায়গায় সমস্যা। একটু বৃষ্টি হলেই এ জায়গায় হাঁটু পর্যন্ত পানি জমে থাকে। এক দিনের মধ্যে পানি আর কাদায় একাকার হয়ে যায়।
পানি জমে থাকায় এ জায়গায় সড়কটি বারবার খানাখন্দ হয়। পানি জমে থাকার কারণে এ জায়গায় ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এ জায়গার পানি নেমে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দিলেই আর পানি জমতো না।রুহিয়ার জনগুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটি চলাচলে প্রায় আমাদের কষ্টের সম্মুখিন হতে হয়। এটির স্থায়ী সমাধান হওয়া উচিৎ বলে আমরা মনে করি। এ ব্যাপারে ১নং রুহিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল হক বাবু বলেন, জনগণের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে আমি সড়ক ও জনপদ বিভাগে রাস্তাটির ছবি  পাঠিয়েছি এবং কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি খুব দ্রুত রাস্তাটির কাজ শুরু হবে।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে ঠাকুরগাঁও সড়ক ও জনপদের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাফিউল ইসলাম বলেন, রুহিয়ার রাস্তাটির অবস্থা খারাপ, আমরা সাময়িক মেরামতের জন্য গাড়ি পাঠিয়েছি। খুব শিঘ্রই স্থায়ী মেরামতের জন্য একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি আশ্বস্থ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *